বেইজিং সময় 1 অক্টোবর, টিম্বারউলভসের তারকা লামেলো বল দলের প্রশিক্ষণ শেষে গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে দলের সাম্প্রতিক অবস্থা ও নিজের অনুভূতি নিয়ে কথা বলেন।

সাংবাদিক: ফিঞ্চ কোচের সঙ্গে কাজ করতে চাপ হবে কি? আপনারা একে অপরের সঙ্গে কেমন মানিয়ে নেবেন বলে মনে হয়?

বল: অনুভূতি খুব ভালো। তিনি ভালো মানুষ বলে মনে হয়। একসঙ্গে সময় এখনও বেশি হয়নি, কিন্তু কয়েকবার কথা বলে বোঝা যায় তিনি খেলোয়াড়কে নিজের মতো খেলার জায়গা দিতে চান, ম্যাচ নিজেরাই সামলাতে চান। এটাই আমি চাই।
সাংবাদিক: তাহলে আপনি কীভাবে ভারসাম্য রাখবেন, নিজের খেলার ধরনও রাখবেন, আবার দলের কৌশলের দরকারও মেটাবেন?
বল: প্রায় আপনি যা বললেন তাই। নিজের বৈশিষ্ট্য ধরে খেলা, একই সঙ্গে দলের দরকার মেটানো।
সাংবাদিক: গোবেয়ারের সঙ্গে জুটি, এখন পর্যন্ত এই ক্যাম্পে আপনি কী পেলেন?
বল: কীভাবে আরও ভালোভাবে বল নেব, আক্রমণ গুছিয়ে আনব, ধীরে ধীরে তাঁর আসল খেলার ধরন চিনব। প্রতিদিন খুঁজে দেখছি। সতীর্থ আগের মতো নয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই দল দ্রুত গতির খেলা করে। আমরাও দৌড়ে খেলতে চাই। এটা খুব মিলে যায়। অবশ্য লড়াইয়ের মধ্যে চাপও থাকবে, কিন্তু সামগ্রিক সম্ভাবনা খুব ভালো।
সাংবাদিক: আগের ম্যাচ দেখে বোঝা যায়, আপনার প্রতিযোগিতার মান এক ধাপ উঠেছে। আক্রমণে দল কি এমন পথ খুঁজে পেয়েছে, যাতে আপনার ব্যক্তিগত সামর্থ্য ও দলের সম্মিলিত শক্তি সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে?
বল: আমার মনে হয় বাস্কেটবল মানেই প্রতি বছর, প্রতিদিন শেখা ও এগিয়ে যাওয়া।
সাংবাদিক: আপনি ও গোবেয়ারের মানিয়ে নেওয়া কি দলীয় অনুশীলন ম্যাচে মাঠে ভুল শুধরে, নাকি অনেক কথাবার্তার মাধ্যমে?
বল: তিনি অনেক বছর খেলেছেন, আমিও। তাই মানিয়ে নেওয়া কঠিন নয়। দুজন মাঠে থেকে ধীরে ধীরে একসঙ্গে খেলার অনুভূতি খুঁজে নিচ্ছি।
সাংবাদিক: এমন খেলোয়াড় আপনাকে কোনো আগের সতীর্থের কথা মনে করায়?
বল: এটা বলা কঠিন। আমি সময় পেলে 2K গেমও খেলি। গেমে অনেক ধরন দেখেছি। আর মাঠের আসল বাস্কেটবল আরেক ব্যাপার।
সাংবাদিক: মাঠের বাইরে তাঁর সম্পর্কে আপনার ধারণা কেমন?
বল: তিনি খুব ভালো মানুষ, বেশ রসিকও।
সাংবাদিক: একদম নতুন কৌশল শেখা, আপনার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
বল: ঠিক বলতে পারি না। আমি যতটা পারি শুনি, যতটা পারি তথ্য নিই। দিনে দিনে জমা হয়। প্রতিদিন এক শতাংশ এগোই। সেদিন যা শিখি, পরের প্রশিক্ষণে নিয়ে যাই।
সাংবাদিক: কৌশলের বই ঘাঁটবেন?
বল: আমরা সবাই প্রশিক্ষণ মাঠে একসঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি। কোচিং স্টাফ কৌশল ভেঙে শুরু থেকে একটু একটু করে শেখায়, ধাপে ধাপে।
সাংবাদিক: শার্লটে আপনি তিনজন আলাদা প্রধান কোচের অধীনে ছিলেন। এখনকার এই মানিয়ে নেওয়া কি সেই সময়ের মতো?
বল: কিছুটা মিল আছে। প্রায় প্রতি মৌসুমেই নতুন করে মানিয়ে নিতে হয়।
সাংবাদিক: দলে জয় পাওয়া অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছেন। পুরো দলে শিরোপা জেতার তাগিদ কি আপনি টের পান?
খেলোয়াড়: হ্যাঁ। মাঠ হোক বা জীবন, সবকিছুর মুখোমুখি হতে হয়। পুরো শক্তি দিতে হয়, নিজের সেরাটা বের করতে হয়।
সাংবাদিক: শার্লটে আপনি অনেক সময় বল হাতে আক্রমণ শুরু করতেন, আবার কর্নারেও দাঁড়াতেন। এখানে এসেও কি এমন ভূমিকা বদল হবে?
বল: অবশ্যই হবে। বল হাতে ও বল ছাড়া দুটোই আমি খেলতে পারি। দল আমাকে যা করতে বলবে, তাই করব। বল হাতে ও বল ছাড়া দুই দিকেই আমি সামলাতে পারি।
আমাকে ফলো করুন! সর্বশেষ ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাস্কেটবল খবর জানুন
পরবর্তী নিবন্ধ: নেই